প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি ২০২২

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক নিয়োগ এর ৩য় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা ৩ জুন 2022 খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। তিন ধাপে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সদ্য সংবাদ: প্রাথমিকের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। মোখিক পরীক্ষার তারিখ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের প্রতিবেদন পড়ুন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ১ম ধাপের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ২০২২

প্রাইমারি নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা: প্রার্থীর হাতের লেখা যাচাই যেভাবে

2022 সালের প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ৩য় ধাপের পরীক্ষা ৩ জুন ২০২২ খ্রি. তারিখ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০:৩০ ঘটিকা থেকে বেলা ১২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের সকাল ১০:০০ ঘটিকার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১ম ধাপের পরীক্ষা ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ মে প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ২০ মে ২০২২ খ্রি. তারিখ শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

২৭ মে তারিখের এক বিজ্ঞপ্তিতে, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার তারিখ ও নির্ধারিত জেলার তালিকা প্রকাশ করেছে তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার জেলা ও উপজেলার তালিকা দেখুন।

তৃতীয় ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার জেলা ও উপজেলার তালিকা

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাধারণ তথ্য

সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ এর লিখিত পরীক্ষা তিন ধাপে আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা কেন্দ্র না পাওয়ার কারণে তিন ধাপে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রথম ধাপের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ২০ মে অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা নেওয়া হবে ৩ জুন ২০২২ খ্রি. তারিখে।

কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষাকেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠান ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবে।

এবারে ৪৫ হাজারের বেশী সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য পরীক্ষা গ্রহণ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। জুলাইয়ে এসব শিক্ষকদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

কিন্তু করোনা মহামারির বাস্তবতায় নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি। এদিকে অবসরজনিত কারণে নতুন করে আরও দশ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে।

এমতাবস্থায় মন্ত্রণালয় পূর্বের বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে, প্রাক্​–প্রাথমিকে ২৫,৬৩০ জন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদে ৬,৯৪৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া অবসরজনিত কারণে শূন্য হওয়া ১০ হাজারেও বেশী পদ যুক্ত করা হবে এই নিয়োগের সাথে। তাঁতে পদ সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে।

২০২২ সালে অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার নতুন তথ্য পেলে এই প্রতিবেদনে তাৎক্ষনিক জানানো হবে।

তাই এই বিষয়ে সবশেষ আপডেট সংবাদ পেতে প্রতিবেদনটিতে যুক্ত থাকুন।

আরো দেখুন:

প্রাথমিক নিয়োগের ভাইভা (মৌখিক) পরীক্ষার নম্বর বিভাজন যেভাবে

Primary Teacher News Update: DPE Notice Office Order Gazette

Primary and Mass Education Ministry Notice mopme.gov.bd

তথ্যসূত্র-

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়

সবশেষ আপডেট: ২৭/০৫/২০২২ খ্রি. তারিখ ৪:৩৭ অপরাহ্ন।

Share This:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

29 Comments

    1. প্রতীমন্ত্রঅর তথ্যের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্তাব্যাক্তি বলেছেন, ডিসেম্বরে পরীক্ষা সম্ভব নয়। আসলে এবিষয়ে এখনই কিছু নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ হলে বোঝা যাবে। ধন্যবাদ।

  1. সকল ক্ষেত্রে পরীক্ষা নেয়া হয় শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হয় না।হাজার হাজার পদ খালি রেখে বিদ্যালয় চলছে।কেউ দেখার নেই।

  2. আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ করতেছি যে,এবার যেন অসাধু কিছু কর্মকর্তার কারনে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করা না হয়।

  3. পরীক্ষা গুলো নিজ নিজ জেলায় হওয়া উচিত কারন অনেক পরীক্ষাত্রী আছেন যাদের ৫০০০/ টাকা খরচ করে ঢাকায় পরীক্ষা দেওয়ার এ্যাবিলিটি নাই। অনেক এর কোন আত্মীয় স্বজন নেই ঢাকায় তাই আমার মতে যে কোন সরকারি চাকরি পরীক্ষা গুলো নিজ নিজ জেলায় হওয়া উচিত।

    1. মতামতের জন্য ধন্য। জেলা পর্যায়ে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। অপেক্ষা করুন।

    1. এখানে যেসব জেলা/উপজেলার নাম আছে সে সবের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাদবাকী জেলার পরীক্ষা পরবর্তী ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

  4. স্যার আমার প্রশ্ন__ ছিল নারায়ণগঞ্জ জেলায় 13 হাজার 577 জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কতজনকে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে।
    জানাবেন প্লিজ স্যার।

    1. এই বিষয়গুলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানান নি। মানে জেলা ও উপজেলার পদসংখ্যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিলো না।